Wednesday, April 18, 2012

ইনশাল্লাহ । আর তাই আমি আমার কর্মীদের আমি অভয় দিয়ে একটা কথা প্রায়ই বলে থাকি, সেটা হল আমি নির্বাচনে চূড়ান্তভাবে লড়তে যাওয়ার আগেই আমাকে হয়তো কমপক্ষে চার-পাঁচটি হত্যা মামলার আসামি হতে হবে।

আমি গত কয়েক মাস ধরেই আমার শরীরটা ভীষণ খারাপ যাচ্ছে। কিন্তু আমার জীবনের প্রতি আমার নিজের এক ধরনের নির্মম অভিমানের কারনেই আমি আমার শরীরের একটু যত্ন ইচ্ছা করেই নেয় নি। অফিসে শারীরিক কারন দেখিয়ে আমি গত প্রায় দুই মাস ধরে সাংবাদিকতা থেকেও স্বেচ্ছানির্বাসনে রয়েছি। এত কিছুর পরেও আমার অনেকগুলো খুবই খারাপ স্বভাব এখনো আছে, তার একটা হল আমি গায়ে পড়ে অনেক বড় বড় প্রতিপক্ষ বানিয়ে ফেলি। তাঁরা অনেক অনেক ক্ষমতাশালী। কেউ কেউ নাকি আমাকে মেরেও ফেলতে চাইছে। তাঁদের কথা মনে পড়লে আমার আসলেই খুবই হাসি পায়, আবার তাঁদের জন্য মায়াও লাগে। আরে বেটা কাপুরুষরা,তোরা কি আমার মহান আল্লাহ্‌র চেয়েও বেশি শক্তিশালী? যদি না হয়,তাহলে আমি তোদেরকে ভয়ের কোন কারনই নেই। আর মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করবি? আরে বেটা রাম ছাগল,যদি আমার পরিবার আমার ভাই শহীদ প্রফেসর হারুন হত্যার বিচার না পায়,তাহলে আমি নিশ্চিতভাবেই আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে একজন গরীব প্রার্থী হিসাবে শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবই, যাব, ইনশাল্লাহ । আর তাই আমি আমার কর্মীদের আমি অভয় দিয়ে একটা কথা প্রায়ই বলে থাকি, সেটা হল আমি নির্বাচনে চূড়ান্তভাবে লড়তে যাওয়ার আগেই আমাকে হয়তো কমপক্ষে চার-পাঁচটি হত্যা মামলার আসামি হতে হবে। আরে মিয়া সাহেব,ক্ষমতার পচা রাজনীতি যদি মিজানকে করতেই হয়,তাহলে কিন্তু আমি কাউকেই এক পয়সার করও দিতে যাব না। অন্যরা (সব অসৎ লোকরা) আমাকেই যিযিয়া কর দিবে,ইনশাল্লাহ। তবে আমি আবারো বলছি, আন্তরিকভাবেই বলছি,আমি রাজনীতির সেই বাকা পথে আর হাটতে চাই না,একদমই না। আমি চাই আমার চারপাশের সব নিপীড়ন-নির্যাতন বন্ধ হয়ে যাক। আমিও সাংবাদিকতা পেশায় থেকেই যতটুক পারি নিপীড়িত মানুষের পাশে থাকতে চাই। দেখা যাক, সময় কি বলে,আমার কাছে কোনটা বেশি শক্তিশালী হয়,অসি না মসি। আজকে আমার এ লেখাটা তাঁদের জন্য লেখা, যারা আমার বন্ধুবেশে আছে ঠিকই কিন্তু তাঁরা আসলে আমার ভয়ংকরতম শক্রু। সবাই বলেন যে,শক্রুদের নাকি বেশি খাটো করে দেখতে নেই। তবে ঐ কাপুরুষদেরকে আমি খুব বড় করে দেখতেও শিখেনি। তাই নিরাপদ জীবন চাইনি, বুঝে শুনেই জীবনকে আমি দিন দিন অনিরাপদ অতীতেও করেছি, এখনো করছি এবং আগামী দিনগুলোতেও করব। ঝুকি নেয়া আসলেই আমার খুব খুব পছন্দ। তাই আমি আজও স্বপ্ন দেখি একটি শান্তিপূর্ণ সাহসী বিপ্লবের এবং সেটা আমার দেহের রক্তের বিনিময়ে হলেও। আমি আগেই বলেছি,আমি নাস্তিক না,আমি বিশ্বাসে আস্তিকই। তাই শক্তি ও সাহস ভিক্ষা চাইছি একমাত্র আমার মহান আল্লাহ্‌র,একমাত্র মহান আল্লাহ্‌র, আবারো বলছি একমাত্র মহান আল্লাহ্‌র কাছেই।

হাবিবুল্লাহ মিজান

রাজনীতিক ও গন-মাধ্যম কর্মী

১৮-০৪-২০১২, ঢাকা, বাংলাদেশ।

Audio clip: Adobe Flash Player (version 9 or above) is required to play this audio clip. Download the latest version here. You also need to have JavaScript enabled in your browser.

Audio clip: Adobe Flash Player (version 9 or above) is required to play this audio clip. Download the latest version here. You also need to have JavaScript enabled in your browser.

Posted by Habibullah Mizan in 03:05:02 | Permalink | No Comments »

Tuesday, April 10, 2012

এখানে পুলিশের লোক, গোয়েন্দা সংস্থার লোক, ডিজিএফআইয়ের থাকতে পারে,But I don’t care, my name is Mizan. আমি স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই, আগামি দুই বছরের মধ্যে যদি আমার ভাই শহীদ প্রফেসর হারুন হত্যার বিচার না হয়, তাহলে আমি এই বাছট গ্রাম থেকে যে প্রতিশোধের………………..

Thank you very much. সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এই অনুষ্ঠানটা ‘মোটামুটি’ (সম্পূর্ণ না) সুন্দর ভাবে শেষ করার জন্য। কারন এর আগে এখানে অনেক অনুষ্ঠান হয়েছে, কোন অনুষ্ঠানেই কোন সমস্যা হয়নি। আর এই জন্য আজকে মোটামুটি শান্তিপূর্ণ বললাম। Ok,fine.

আরো বিশ মিনিট নাচ চলবে, নাচবে প্রিন্সেস লাকি, প্রিন্সেস রানী এবং প্রিন্সেস সাথী।

বন্ধুরা, নাচ শুরুর আগে আমি কেন এখানে আপনাদের নিয়ে এসেছি সে বিষয়ে ঠিক দু’টা কথা বলব। ফাইভ মিনিট, ফাইভ মিনিট, ফাইভ মিনিট,ঠিক পাঁচ মিনিট।

প্রথমেই শুনতে হবে আমি কি বলি। আমি খারাপ বললেও বলতে হবে যে- ভাই আপনি খারাপ বলেছেন। আর ভালো বললেও হাততালি দেওয়ার দরকার নেই। মাথাই রাখবেন, কানে শুনবেন,OK?

এই গ্রামের নাম বাছট, মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার খুবই দরিদ্র একটা গ্রাম। আমার নাম হাবিবুল্লাহ মিজান। এখনো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়য়ে একটু একটু পড়ি। একসময় ছাত্র রাজনীতি করতাম। এখন একটু একটু সাংবাদিকতা করি। আমার একটা ভাই,পাশাপাশি ঘর, তাঁর নাম শহীদ অধ্যাপক হারুন- অর- রশিদ। আপনারা এ মঞ্চের পাশে দাড়িয়ে অনেক হাশি-উল্লাস করছেন, অনেক কিছুই করছেন। আমার ঘনিষ্ঠ লোকজন আমাকে জিজ্ঞাস করেছে, আমার মনটা আজ খারাপ কি না। হ্যাঁ, আমার মনটা কিছুটা হলেও খারাপ। ঠিক এই মঞ্চেইর পাশেই যে যায়গাটা সেখানে আমার ভাইকে শেষবারের মত জানাজা পড়ানো হয়েছিল । সেদিন আমি সেখানে কিছু কথাও বলেছিলাম। আমি বলেছিলাম, আমি খুবই দুর্বল একজন মানুষ। আমার কোন ক্ষমতা নেই, কোন সামর্থ্য নেই, কারো সাথেই কোন পরিচয়ও নেই। লিকলিকে একটা শরীর। যারা সাংবাদিকতা করেন, তারা আমাকে মোটামুটি এই বলে চেনেন যে, আমি নাকি খুব গাউরা সাংবাদিক। সাংবাদিকতার সুবাদে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের দুঃখী কন্যা, আমি আওয়ামী লীগ করিনা, আমি বিএনপিও করিনা। But I respect Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, Father of the Nation. তাঁর মেয়ের বাসায় সাংবাদিক হিসাবে দু’একদিন যাই। সেখানে সবাই দালালী করেন, অনেকে লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক। আমি ছেরা স্যান্ডেল পড়ি, ধার-দেনা করে চলি। প্রধানমন্ত্রীর বাসায় যারা যাঙ,তাঁরা অনেকে লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক। আমি কিন্তু খুবই গরীব। আমার কোন সামর্থ্য নেই। এই যে আজকের অনুষ্ঠান সেটা আমার কিছু বড় ভাই, বন্ধুবান্দব আমাকে সাহায্য করেছেন বলে সম্ভব হয়েছে। তাঁরা আমাকে দোয়া করেছেন বলে আমি এটা করতে পেরেছি। কোন problem নাই।

যে কারনে আজকে আপনাদের এখানে ডাকা। আমার একজন ভাই, প্রফেসর হারুন- অর- রশিদ, যাকে ২০১০ সালের ২১ শে মার্চ বর্বর সিলেটের কিছু বর্বর, পাষাণ জানোয়াররা নির্মমভাবে হত্যা করেছে প্রকাশ্য দিবালোকে।

আমি সিলেটবাসীকে আপনাদের মাধ্যমে স্পষ্টকরে বলে দিতে চাই, সিলেটের মানুষকে আমি সম্মান করি, respect করি। But I want take a revenge against the BLOODY KILLERS who had killed my brother.

এই ক্ষেত্রে আমি আইনের প্রতি বিশ্বাস করি। আমি চাই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হতভাগী কন্যা তাঁর সরকারের এই দুই বছরের মধ্যে এই হত্যার বিচার করবে। তিনি জানেন পিতাহারা, মাতাহারা মানুষের কি দুঃখ, কি বেদনা। আমি,আপনি কি জানি?

আমি বিশ্বাস করি, এই সরকার আগামী দু’বছরের মধ্যে শহীদ প্রফেসর হারুন হত্যার বিচার হবে, হবে,হবে। আর যদি বিচার না হয়,তাহলে যে মঞ্চে দাড়িয়ে আমি আমার ভাইকে শেষ জানাজা দিয়েছিলাম আজ সেইখানে দাড়িয়ে বলছি, থাকতে পারে এখানে পুলিশের লোক, গোয়েন্দা সংস্থার লোক, ডিজিএফআইয়ের লোক। But I don’t care, my name is Mizan. আমি স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই, আগামি দুই বছরের মধ্যে যদি শহীদ প্রফেসর হারুন হত্যার বিচার না হয়, তাহলে আমি এই বাছট গ্রাম থেকে যে প্রতিশোধের আগুন ছুড়িয়ে দিবো তাতে সিলেটের ঐ খুনিদেরকে। সে যেই হোক। আপনারা আমার পাশে থাকবেন?

শেষ যে কথাটা, যে কারনে, বিশেষ করে আপনারা,মঞ্চের পিছনের দিকে ব্যানারে লেখা রয়েছে- বাঁচাও নদী, বাঁচাও দেশ, বাঁচাও সারা বাংলাদেশ। আপনাদের পাশে এসময় কুলকুলকরে বয়ে গেছে গাজীখালী নদী। বিভিন্ন কারনে সে নদীটি মরে গেছে। নদীটি আজ আর নদী নেই। বছরে মাত্র এক মাস সেখানে পানি থাকে। বাকি সারা বছর পানি থাকেই না। অথচ আপনাদের বাপ-দাদাকে জিজ্ঞাস করেন, সেখানে একসময় পাল তোলা নৌকা যেত, লঞ্চ, ষ্টীমার চলত। অনেক কিছুই চলত, সেটা আমিও দেখেছি। আপনারা সবাই থাকলে আমরা আবার সেই নদীটিকে বাঁচাতে পারব। জানি, হয়তো আগের মত সেই নদীকে ফিরে পাব না। কিন্তু বছরে অন্তত নয় মাস, আট মাস, সাত মাস যাতে পানি থাকে সেটা করা যাবে।

আমি চাই আপনারা আমার ভাই হত্যার বিচারে আমার পাশো থাকবেন এবং আপনাকে বাঁচাতে, আপনার বন্ধুদেরকে বাঁচাতে এই নদীটিকে বাঁচাতে হবে। আমি চাই, আপনার ভবিষ্যৎ বংশধরদের বাঁচাতে এই নদী বাঁচাও আন্দোলনের পাশে থাকবেন।

আমার সাথে অনেকের সাথে যারা এই নদীটিকে ধ্বংসের পিছনে কিছুটা হলেও দায়ী তাঁদের অনেকের সাথে আমার ব্যাক্তিগত ভালো সম্পর্ক থাকতে পারে। হতে পারে কেউ কেউ আমার আত্মীয়। তবে আমি আমার বিবেককে সাক্ষী রেখে বলতে চাই- আমি নদীটিকে বাঁচাতে চাই।

I don’t want to make any compromise with you.

আমি বারবার বলছি, আমি আমার ভাই শহীদ প্রফেসর হারুন হত্যার বিচার চাই, যে করেই হোক। আমি নদীটিকে বাঁচাতে চাই।

পরিশেষে,আমি আমার ভাই শহীদ প্রফেসর হারুন-অর-রশিদের বিদেহী আত্মার প্রতি আমার সর্বোচ সম্মান এবং তাঁর এতিম ছেলে আরহাম, এতিম মেয়ে লুব্ধক এবং তাঁর বিধব স্ত্রী আফরোজা ভাবী, তাঁদের নিরাপদ, সুন্দর এবং disturb-less জীবন কামনা করি।

আমি সবাইকে সাক্ষী রেখে বলছি- I want to dedidate my life for you.

আমার বক্তব্যের পরেই রাত বারোটা পর্যন্ত নাচ চলবে,নাচবে আরো বিশ মিনিট। নাচ চলবে। নাচবে প্রিন্সেস লাকি, প্রিন্সেস রানী এবং প্রিন্সেস সাথী, যাকে আমি খুব পছন্দ করি। আমি বলে দিয়েছিলাম She must come. প্রিন্সেস সাথী এসেছে।

এরপর গান গাইবে শিশির,সে রেডিও-টেলিভিশনে গান গায়। সে আমার নদী বাঁচাও আন্দোলনের সাথে প্রথম থেকেই আমার সাথে আছে। সে এই গাজীখালী নদীকে বাঁচাতে একটি গান লিখেছে।এই গানটি সে তাঁর নিজের টাকাইয় কম্পোজ করবে প্রায় এক লক্ষ টাকা খরচ করে। সে যে আজ এখানে এসেছে গান গাইতে এর জন্য তাঁকে কোন টাকা দিতে হবে না। বরং সেই আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। তাছাড়া আমাকে আরও অনেকে সাহায্য করেছে, বিশেষ করে চঞ্চল ভাই, দূর থেকে, চঞ্চল ভাই আপনাকে লাল সালাম।

আমি আমার কথার দ্বারা কিংবা আমার কোন আচরণের কারনে যদি কেউ কোন কষ্ট পেয়ে থাকেন তাহলে আমি ক্ষমা প্রার্থী, I beg your pardon.

OK, আপনারা অনুষ্ঠান উপভোগ করুন। তাহলে আজ রাতে এখানেই আপনাদের কাছ থেকে বিদায়। Thank you very much. আবার দেখা হবে কোন এক দিন। OK, good luck.

Audio clip: Adobe Flash Player (version 9 or above) is required to play this audio clip. Download the latest version here. You also need to have JavaScript enabled in your browser.

আমার নাম হাবিবুল্লাহ মিজান

আমি আওয়ামী লীগ করিনা, আমি বিএনপিও করিনা। But I respect Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, Father of the Nation

Posted by Habibullah Mizan in 23:18:43 | Permalink | No Comments »

Sunday, April 8, 2012

হাবিবুল্লাহ মিজানের নদী বাঁচাও আন্দোলন

জীবনে প্রথম কোন অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসাবে আমার একটা সাদামাঠা ভাষণ। বন্ধুরা, পারলে শুনবেন। আমি অভিনয় করেনি, খোলামেলা কিছু কথা বলেছি। কাউকে খুশি বা কাউকে অখুশি করতে নয়। সংগ্রাম চলবে,ইন্সাল্লাহ। পাশে থাকবেন দয়া করে।

হাবিবুল্লাহ মিজান

Audio clip: Adobe Flash Player (version 9 or above) is required to play this audio clip. Download the latest version here. You also need to have JavaScript enabled in your browser.

Posted by Habibullah Mizan in 21:08:04 | Permalink | No Comments »

Saturday, April 7, 2012

কারন আমি শান্তি চাই,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি, শুধু শান্তি চাই, আমার লাল রুক্ত দিয়ে হলেও।

শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি ,শুধুই শান্তি চাই,আমার লাল রুক্ত দিয়ে হলেও। তাই লতাদেশীকে নিয়ে বিরামহীন আমার কবিতা ও আমার জীবনের গল্প……………………………। এক দুঃসাহসী স্বপ্নবাজের জীবনে অন্যরকম সে গল্প । কেউ কেউ তাঁর ফাঁসী দাবি করতে পারে। কিন্তু সে যে বার বারই বলে ………………। আর যা হোক,আসলে বন্দুকের নলে লতাদেশীর কোন ভালোবাসা পাওয়া যায় না। ট্রিগার টিপলে বা টাকা ছুড়লে, এমনকি ভালো অভিনয় করলেও আমি হয়তো দেহ পাই,কাম পাই,তবে প্রেম পাই না। আমি এক লতাদেশীর কথা আজ বলছি,আমার প্রিয় আম্মার কথা মনে করে। বন্ধু,আমার পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরতম তিন নারী- প্রথমত, আমার প্রিয় আম্মা,যে আম্মাকে আমি শুধু এক আল্লাহ্‌র ও আমার প্রিয় এক নবীজী সাথে তুলনা করি না, বাকি সবই আমি করি, আমার নিখাদ ভালোবাসায় । তাই আমি আমার আল্লাহ্‌ কাছে চিঠি লিখছি- হে খোদা,তুমি আমার আম্মাকে হাজারো বছর বাঁচিয়ে রেখো, সুখে রেখো পৃথিবীর সব মাকে । দ্বিতীয়ত,যারা প্রিয় আমার বোন, আমার বন্ধু। তাহলে বাকি সেই নারীটি কে? তাঁকে পরিচয় করিয়ে দিব। তবে সবার কাছে না। বিদায়,আর না। আমার লতাদেশীর সেই গল্পটা আরেক দিন বলব, ঠিক আছে প্রিয় কমরেডগণ? আর যারা আমার বন্ধু হবে,তাঁদেরকে লিখছি,আমি কিন্তু আমার কবরই রাখব না যদি না আমার লতা তাঁর শেষ কথাটাও না রাখে। সেই লতাদেশীকে নিয়ে কবিতা লিখছি, আমার কবর থেকে, লতা,তুই ছাড়া কে হবে আমার সেই প্রথম লতাদেশী? লতা,তুই কেমন আছস,তুই কি আগের মতোই আমাকে……………………। আবার দেখা হলে বলতাম, হয়তো বলা হতো না, কারন সে এখন দুই ছেলের মা। আমার সেই লতাদেশীকে আমার লাল সালাম দিব? আমার লাল ভালোবাসা দিব? আমি সত্যি বলছি, সাহস করে বলছি,দায় নিয়েই লিখছি,আমি হতে চেয়েছিলাম সেই লতাদেশী, কিন্তু বাংলাদেশীই থেকে গেলাম। কারন আমি শান্তি চাই,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি,শান্তি, শুধু শান্তি চাই, আমার লাল রুক্ত দিয়ে হলেও।

Posted by Habibullah Mizan in 00:36:06 | Permalink | No Comments »

Sunday, March 11, 2012

আপনি কি গাজীখালী নদীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসবেন সাহস করে

আপনি কি গাজীখালী নদীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসবেন সাহস করে? যদি আপনার উত্তর ‘হ্যাঁ’ হয়, তাহলে দয়া করে মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলা ও ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার আমার লক্ষ লক্ষ গরীব মানুষের প্রান প্রিয় গাজীখালী নদীকে বাঁচাতে এই গানটা ডাউনলোড করে নিজে শুনুন এবং প্রিয় জনকে শুনান। একদিন দেখবেন জনতা জেগে উঠেছে গাজীখালী নদীর মতো সব নদীকে বাঁচাতে। আর এই গানটি আপনি আপনার মোবাইল ফোনের রিংটোন হিসাবেও নির্বাচন করতে পারেন বিনে পয়সাই। শিল্পী শিশির আমাদের গেঁয়ো স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে গানটি প্রথমবারের মতো গাইবে। তাই ২৬’শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে আমার এলাকায় দেখা হবে, কথা হবে গেঁয়ো ভাষায়,ইনশাল্লাহ।

সবাইকে নিমন্ত্রণ আমাদের পল্লী গ্রামে যেখানে …………………।

Gazi Khali Nodi Bachau Andolon

একে ধরিয়ে দিন

এক নদী খেকো

Posted by Habibullah Mizan in 20:59:09 | Permalink | Comments Off

আমাদের প্রিয় গাজীখালী নদীকে বাঁচাতে

এ হচ্ছে ভেকো ড্রাইভার, নাম সাকিল, বয়স আনুমানিক ত্রিশ,পাবনা জেলা থেকে আমার এলাকায় আসা এক গাজীখালী নদী খেকো। তাই একে ধরিয়ে দিন। আমিতো গায়ে  আগুন দিতে চেয়েও আইনের প্রতি ভক্তি দেখাতে যেয়ে পারলাম না। ছবিটা তখন তুলেছিলাম আমার মোবাইল ফোনে

আমাদের প্রিয় গাজীখালী নদীকে বাঁচাতে এই নতুন গানটাই আগামী ২৬’শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে প্রথম বারের মতো গাইবে আমারই প্রিয় ছোট ভাই, উদীয়মান সংগীত শিল্পী, কবি, গীতিকার, আরও কত গুণের অধিকারী,খুবই মিষ্টি মুখের শিশির। সে টেলিভিশন ও রেডিওতে গান গাই। কিন্ত সেই দিন সে গাইবে যে প্রিয় গাজীখালী নদী বয়ে চলেছিল ঠিক আমাদের নিজেদের বাড়ির নিজের ঘরের একদম পাশ গেশেই, সেই প্রিয় গাজীখালী নদীকে বাঁচাতে। আমাদের কত গল্পই না মিশে আছে এই প্রিয় গাজী খালীর নদীর বাকে বাকে। কখনো আবার ঢেউয়ের সাথে। আমি এটাকে বাঁচাতে চাই। আমার জীবন দিতেও রাজি। তাই বন্ধুরা, মারা গেলে বুঝে নিবেন, আমার এলাকার কিছু নদী খেকোদের সাথে আমি সাময়িক ভাব জমিয়েছি অন্য সব নদী খেকোদের ধরতে, কালো হাত ভেঙ্গে দিতে। কসম আল্লাহ্র! এটা সাময়িক আমার এলাকাগত কিছু রাজনীতিক কারনে। আসলে আর কিছু না। আর আরোপিত কর? সেটাতো নদী খেকোদেরই দাঁত চিরতরে ভেঙ্গে দেয়ার কাজেই প্রথম খরচ করা হবে, কথা দিলাম। ইনশাল্লাহ,দেখা হবে আগামী ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে আমাদের গেঁয়ো আয়োজনে। সে দিন সবার সব প্রশ্নেরই উত্তর আমি দিবো। ‘প্রিয় কমরেড’,সবাইকে নিমন্ত্রণ।।। গানের নাম- প্রিয় গাজীখালী নদী ১১-০৩-২০১২ ( মাতার রূপে নদী খানি নদীটির নাম গাজীখালী ধ্বংসের কালো হাতে ছেয়ে গেছে দেখো অন্য নদীর মতোই। মাতার রূপে নদী খানি নদীটির নাম গাজীখালী যে নদীর বুকে চলে উজান-ভাটি সেই নদীই আজ করে কান্না-কাটি এখনই সময় আসুন আপন নদী বাঁচাই নদী বাঁচলেই বাঁচবে দেশ বাঁচবো সবাই। মাতার রূপে নদী খানি নদীটির নাম গাজীখালী ) সবাইকে সংগ্রামী লাল সালাম।

আমাদের প্রিয় গাজীখালী নদীকে বাঁচাতে এই নতুন গানটাই আগামী ২৬’শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে প্রথম বারের মতো গাইবে আমারই প্রিয় ছোট ভাই, উদীয়মান সংগীত শিল্পী, কবি, গীতিকার, আরও কত গুণের অধিকারী,খুবই মিষ্টি মুখের শিশির। সে টেলিভিশন ও রেডিওতে গান গাই। কিন্ত সেই দিন সে গাইবে যে প্রিয় গাজীখালী নদী বয়ে চলেছিল ঠিক আমাদের নিজেদের বাড়ির নিজের ঘরের একদম পাশ গেশেই, সেই প্রিয় গাজীখালী নদীকে বাঁচাতে। আমাদের কত গল্পই না মিশে আছে এই প্রিয় গাজী খালীর নদীর বাকে বাকে। কখনো আবার ঢেউয়ের সাথে। আমি এটাকে বাঁচাতে চাই। আমার জীবন দিতেও রাজি। তাই বন্ধুরা, মারা গেলে বুঝে নিবেন, আমার এলাকার কিছু নদী খেকোদের সাথে আমি সাময়িক ভাব জমিয়েছি অন্য সব নদী খেকোদের ধরতে, কালো হাত ভেঙ্গে দিতে। কসম আল্লাহ্র! এটা সাময়িক আমার এলাকাগত কিছু রাজনীতিক কারনে। আসলে আর কিছু না। আর আরোপিত কর? সেটাতো নদী খেকোদেরই দাঁত চিরতরে ভেঙ্গে দেয়ার কাজেই প্রথম খরচ করা হবে, কথা দিলাম। ইনশাল্লাহ,দেখা হবে আগামী ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে আমাদের গেঁয়ো আয়োজনে। সে দিন সবার সব প্রশ্নেরই উত্তর আমি দিবো। ‘প্রিয় কমরেড’,সবাইকে নিমন্ত্রণ।।।

গানের নাম- প্রিয় গাজীখালী নদী
১১-০৩-২০১২
( মাতার রূপে নদী খানি
নদীটির নাম গাজীখালী
ধ্বংসের কালো হাতে ছেয়ে গেছে দেখো
অন্য নদীর মতোই।
মাতার রূপে নদী খানি
নদীটির নাম গাজীখালী
যে নদীর বুকে চলে উজান-ভাটি
সেই নদীই আজ করে কান্না-কাটি
এখনই সময় আসুন আপন নদী বাঁচাই
নদী বাঁচলেই বাঁচবে দেশ
বাঁচবো সবাই।
মাতার রূপে নদী খানি
নদীটির নাম গাজীখালী )

সবাইকে সংগ্রামী লাল সালাম।

Priyo Gazi Khali Nodi ke bacha te

Posted by Habibullah Mizan in 07:06:37 | Permalink | Comments Off

Friday, July 16, 2010

CPB to begin week long march on Aug. 1 for trial of war criminals

Habibullah Mizan

Communist Party of Bangladesh  (CPB) will start  week long march on foot programme across the country from August 1 to press home  its demands including the immediate arrest of  war criminals and  their speedy trial.

The left leaning party will organize the agitation to realize its demands which also  include  solution to  price hike of essentials,   electricity, gas and water crisis , tender manipulation  and deteriorating  law and order situation in the country, said a party press release.

The  demands also include  the restoration of the basic principles of the constitution of 1972 and  trade union rights  of the workers.

During the road march, party leaders will hold  meetings at district and upazila levels.

Posted by Habibullah Mizan in 15:15:29 | Permalink | Comments Off

Saturday, September 19, 2009

If we are not animals, we shouldn’t forget ………..


st1\:*{behavior:url(#ieooui) }
<!– /* Style Definitions */ p.MsoNormal, li.MsoNormal, div.MsoNormal {mso-style-parent:”"; margin:0in; margin-bottom:.0001pt; mso-pagination:widow-orphan; font-size:12.0pt; font-family:”Times New Roman”; mso-fareast-font-family:”Times New Roman”;} @page Section1 {size:8.5in 11.0in; margin:1.0in 1.25in 1.0in 1.25in; mso-header-margin:.5in; mso-footer-margin:.5in; mso-paper-source:0;} div.Section1 {page:Section1;} –>
/* Style Definitions */
table.MsoNormalTable
{mso-style-name:”Table Normal”;
mso-tstyle-rowband-size:0;
mso-tstyle-colband-size:0;
mso-style-noshow:yes;
mso-style-parent:”";
mso-padding-alt:0in 5.4pt 0in 5.4pt;
mso-para-margin:0in;
mso-para-margin-bottom:.0001pt;
mso-pagination:widow-orphan;
font-size:10.0pt;
font-family:”Times New Roman”;}

This is our so-called civilization, fantastic world?

This is our so-called civilization, fantastic world?

If we are not animals, we shouldn’t forget the poor people around us

Let’s celebrate the upcoming Eid-ul-Fitr and Sharodhia Durga Puaj in such a universal way so that at least we don’t see any crying, pains on these days of joys.

I wish you a joyful life everyday, every moment like these upcoming festivals

Habibullah Mizan

Department of International Relations,

University of Dhaka, Dhaka-1000, Bangladesh

Cell: +008801552328436

+008801716283437

mizandeshi@yahoo.com

Posted by Habibullah Mizan in 22:02:32 | Permalink | Comments Off

Monday, June 22, 2009

How the very brilliant students become bloody militants?

I really can’t even think how a very brilliant student from the internationally reputed Bangladesh University of Engineering and Technology (BUET) can join in bloody militant outfit like JMB. How deeply his brain was washed to be hatred militant in the name of Islam by the bloody militant leaders. The government should shoot the criminals openly who are working behind these brilliant students to engage them in the terrorism.
Posted by Habibullah Mizan in 17:40:11 | Permalink | Comments Off

Thursday, June 11, 2009

Absolute analog budget by our analog Politicians

Allocation only TK 100 crore from TK 113,919 is not good sign for the building the Digital Bangladesh. Yes, it happened because our politicians and policymakers are quite illiterate on ICT. 
As a blind supporter of Digital Bangladesh, I am sorry to say, this is an absolute Analog Budget by our Analog Politicians and Analog Policymakers. Both the four party alliance government or grand alliance are really same. They know power politics but don’t know the E@politics or E@governmment  

Posted by Habibullah Mizan in 17:41:30 | Permalink | Comments Off
Stop censorship